কাটরা বা কাটারা,,,,,
কাটরা বা কাটারা এর অর্থ হল অবকাশযাপন কেন্দ্র। বাংলাদেশের ঢাকায় মুঘল শাসনামলে দুটি অন্যন্য কাটরা তথা অবকাশ কেন্র নির্মাণ করে। মুলত তারা থাকার জন্য নির্মান করেছিল কিন্তু তা পছন্দ না হওয়ায় চলে গিয়ে আহসান মন্জিল নির্মান করে ও তাতে বসবাস করে। আর এটা কে অবকাশ কেন্র বা মুসাফিরদের বিশ্রামাগার বানান। এরমধ্যে একটি হলো বড় কাটারা ও অপরটি হলো ছোট কাটারা।
বড় কাটরা:
সম্রাট শাহজাহানের পুত্র শাহ সুজার নির্দেশে ১৬৪১ খ্রিস্টাব্দে (হিজরী ১০৫৫) বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে এই ইমারতটি নির্মাণ করা হয়। এর নির্মাণ করেন আবুল কাসেম যিনি মীর-ই-ইমারত নামে পরিচিত ছিলেন। প্রথমে এতে শাহ সুজার বসবাস করার কথা থাকলেও পরে এটি মুসাফিরখানা হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
বর্তমান অবস্থা ভবনটির,,,, ,,,
অতীতের অবকাঠামোর সাথে সংযুক্ত করে বর্তমানে আরও নতুন ভবন সংযোজন করে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ব্যবহার করছে। মাদ্রাসার তত্ত্বাবধানে শুধুমাত্র বড় কাটারার মূল গেইটসহ কিছু ভবন রয়েছে। অন্যগুলো বেদখল হয়ে গেছে। স্থাপনা ভবনটি সময়ের পরিবর্তনে সংস্কারের অভাবে অতীত সৌন্দর্য হারাচ্ছে। তবে রট,ইট ছাড়া নির্মিত এ ভবন ৪০০ বছর পরও অসাধারন শক্তিশালী আছে।
দর্শণ:
মাদ্রাসার প্রবেশ দরজা দিয়ে বিনা পয়সায় এক সময়ের বড় কাটরাতে প্রবেশ করা যায়। দর্শনার্থীরা স্বাচ্ছন্দে এই ঐতিহাসিক স্থান দেখতে পারে। সাড়া বছরের প্রতিদিনই সকাল ৮.০০ টা থেকে বিকাল ৫.০০ টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকে। বর্তমানে বড় কাটরা হোসাইনিয়া আশরাফুল উলুম মাদ্রাসার তত্ত্বাবধানে রয়েছে। বিশেষ দিনগুলোতে বিদেশী ও দেশী দর্শনার্থীরা এই স্থাপনা ঘুরে দেখেন। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে ঘুরে দেখতে পারে বড় কাটরা।
বড় কাটারা অবস্হান,,,
ইহা ঢাকার চকবাজার (লালবাগ)থানায় অবস্হিত, বুড়িগঙ্গা,সোয়ারি ঘাটের পাশে, ঢাকার যেকোন স্হান হতে আসতে পারবেন