Saturday, December 15, 2018

স্বাগতম মেঘের রাজ্য সাজেকে,ভ্রমন করার সকল তথ্য একসাথে পেতে ক্লিক করুন

,,,,,,,,,, মেঘের রাজ্য সাজেক ভ্যালি,,,                     


ভিডিও দেখতে ছবিতে টার্চ করুন

@বাংলাদেশের একটি অন্যতম সুন্দর জায়গার নাম সাজেক ভ্যালী। আকবাকা পাহাড়ী পথ বেয়ে মেঘের রাজ্যের ভিতর দিয়ে সাজেক যাওয়া সত্যিই অসাধারন। সাজেক রাঙ্গামাটি জেলার সর্ববৃহৎ ইউনিয়ন। সাজেক যদিও রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত তবে যাতায়াতের সহজ পথ খাগড়াছড়ি-দিঘিনালা রোড। খাগড়াছড়ি থেকে ৬৯ কি.মি. দিরত্তে প্রকৃতির এই রুপ যেন রাঙামাটির ছাদ! নয়নাভিরাম অরণ্যভূমি আর পাহাড়ের বন্ধনে যেখানে মেঘের দল প্রেমে মেতে থাকে।

@@@যা দেখবেন:
সাজেক ভ্যালি,রুইলুই পাড়া,সাজেক ঝর্না,হেলিপ্যাড,কংলাক পাড়া,সাজেকের মেঘ

@@@কিভাবে যাবেন
সবচেয়ে নিরাপদ,জামেলাহীন,ভালো হল যে কোন গ্রুপের সাথে যাওয়া,কারন রওনা দেওয়া হতে ফিরে আসা পর্যন্ত সকল দায়িত্ব তাদের আপনি শুধু ঢাকা টা দিবেন, বাস
facebook.com এ সার্চ দিলে অনেক গ্রুপ পাবেম
যেমন,bd ture planner(আমি তাদের সাথে গিয়েছি)
bd ture,see Bangladesh, ইত্যাদি

@@@ঢাকা টু খাগড়াছড়িঃ
বাসে করে ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ি যেতে হবে। নন-এসি বাস ৫২০ টাকা, এসি বাস ৮০০ টাকা
খাগড়াছড়ি টু সাজেকঃ
খাগড়াছড়ি শহড়ের শাপলা মোড় থেকে চান্দের গাড়ী/ সিএনজি রিজার্ভ করে সাজেক যাওয়া যাবে। সময় লাগবে সবমিলিয়ে ৩ ঘন্টা। চান্দের গাড়ী ভাড়া ৫০০০/৬০০০ টাকা (দরদাম করতে হবে), সিএনজি ভাড়া ৩০০০/৪০০০ টাকা (সিএনজিতে না যাওয়াই ভাল কারন প্রকৃতি ভালভাবে দেখা যাবে না)। যাওয়ার পথের সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে হলে চান্দের গাড়ীর ছাদে বসে যেতে হবে।

@@যারা সাজেকে রাতে থাকবেনঃ
থাকার জন্য যেসব রিসোর্ট বা জায়গা আছে তা হলোঃ
১) সাজেক রিসোর্ট (রুইলুই পাড়া):  যোগাযোগ ০১৭৮৩৯৬৯২০০। সাধারন জনগনের জন্য ভাড়া ১০০০০-১৫০০০ টাকা প্রতি রাতের জন্য।
২) রুনময় রিসোর্ট (সাজেক ভ্যালী): যোগাযোগ ০১৮৬৫৬৮৮৭৭।
৩) রুইলুই পাড়া ক্লাব হাউসঃ যোগাযোগ ০১৮৩৮৪৯৭৬১২, ০১৮৬০১০৩৪০২।
রিসোর্টে খাবার ব্যবস্থা আছে
 তবে যারা দিনে গিয়ে দিনে চলে আসবেন তারা বাইরে ১৫০-৫০০ টাকা দিয়ে দুপুরের খাবার খেতে পারবেন।

@@@খাগড়াছড়িতে থাকার ব্যবস্থাঃ
১) পর্যটন মোটেলঃ যোগাযোগ ০৩৭১-৬২০৮৪, ০৩৭১-৬২০৮৫, ০১৫৫৬৫৬৪৩৭৫, এসি রুম ২১০০ টাকা এবং নন-এসি ১৩০০ টাকা প্রতি রাত। এটি শহড়ে ঢুকার ২ কি.মি. আগে চেঙ্গী নদীর পাশে অবস্থিত।

@@@খাগরাছড়ি তে দেখবেন:
আলু টিলা গুহা,রিসাং ঝর্না,পার্ক

Saturday, December 8, 2018

যানজোটের শহর ঢাকাতে একটু শান্তির স্হান হাতিরঝিল,ঢাকা

যানজোটের শহর ঢাকাতে একটু শান্তির স্হান "হাতিরঝিল,ঢাকা"
  ভিডিও দেখতে ছবিতে ক্লিক করুন।


হাতিরঝিলের ইতিহাস – এটি কোথায় অবস্থিত এবং কিভাবে যাব?

@হাতিরঝিল বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার একটি দৃষ্টিনন্দন এলাকা । ইট পাথরের এই ব্যস্ত নগরীতে ক্লান্তিকর নাগরিক জীবনের ক্লান্তি দূর করতে, বর্তমানে রাজধানীর হাতিরঝিল প্রকল্পটি  হয়ে উঠেছে মনোরম এক বিনোদন কেন্দ্র। দিনে বা রাতে যে কেউ হাতিরঝিলে ঘুরে আসতে পারেন ।বাংলাদেশ সরকার বেশ কিছু উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। এটি ২০১৩ সালের ২ রা জানুয়ারী সর্বসাধারনের জন্যে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন ও তদারকি করার জন্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ‘স্পেশাল ওয়ার্কস অরগানাইজেশন’ (এসডব্লিউও) কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

@প্রকল্পের অন্যতম মূল লক্ষ্য হচ্ছে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করা , জলাবদ্ধতা ও বন্যা প্রতিরোধ করা , ময়লা পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন , রাজধানীর যানজট নিরসন এবং সৌন্দয্য বৃদ্ধি করা। হাতিরঝিল প্রকল্প চালুর ফলে ঢাকার তেজগাঁও, গুলশান, বাড্ডা, রামপুরা, মৌচাক ও মগবাজার এরিয়া দিয়ে চলাচলকারী যাত্রীরা বিশেষ সুবিধা পাচ্ছেন।

@@@@@@হাতিরঝিলের অবস্থান
হাতিরঝিল প্রকল্পটির অবস্থান ঢাকার কেন্দ্রে। এটি শুরু হয়েছে কারওয়ান বাজারের সোনারগাঁ হোটেল থেকে, বিস্তৃতি লাভ করেছে বনশ্রী পর্যন্ত। হাতিরঝিলকে ঘিরে আছে তেজগাঁও, গুলশান, রামপুরা, বাড্ডা, বনশ্রী, নিকেতন এবং মগবাজার। অর্থাৎ উল্লেখিত  প্রতিটি এলাকা  দিয়েই হাতিরঝিলে প্রবেশ করা যাবে।

@@@@কিভাবে হাতিরঝিলে যাবেন এবং ঘুরে দেখবেন
বাস কিংবা সিএনজি বা ব্যক্তিগত গাড়িতে করে ঢাকার যে কোন এলাকা থেকে হাতির ঝিলে আসতে পারবেন।  হাতিরঝিল প্রকল্প ঘুরে দেখার জন্য আছে চক্রাকার বাস সার্ভিস। বর্তমানে  ২৯ আসনের চারটি মিনিবাস হাতিরঝিলের চারপাশের দশটি স্টপেজ থেকে যাত্রী তুলে এবং নামিয়ে দেয় । টিকেট পাওয়া যায়  রামপুরা, মধুবাগ, এফডিসি মোড়, বৌবাজার, শুটিং ক্লাব ও মেরুল বাড্ডা এই  ছয়টি  কাউন্টারে। এক কাউন্টার থেকে আরেক কাউন্টারে সর্বনিম্ন ভাড়া ১০ টাকা। রামপুরা থেকে কারওয়ান বাজার গেলে লাগবে ১৫ টাকা। আর বাসে করে  পুরো হাতিরঝিল ঘুরে দেখা যাবে মাত্র ৩০ টাকায়। হাতিরঝিলে প্রতিদিন বাস চলাচল শুরু হয় সকাল ৭টা থেকে এবং চলে রাত ১১ টা পর্যন্ত । সরকারি ছুটির দিন বা কোনো উৎসবের দিনও চক্রাকার বাস চলাচল বন্ধ থাকেনা।

@@হাতিরঝিলে অভ্যন্তরে যাতায়াতের জন্য লোকাল আর কোনো  সার্ভিস নেই। ব্যক্তিমালিকানায় কারওয়ান বাজার থেকে কিছু মাইক্রোবাস যায় রামপুরা পর্যন্ত। যেখানেই নামুন ভাড়া ২৫ টাকা ভাড়া ভিত্তিতে।

আর যদি ব্যাক্তিগত গাড়িতে এসে থাকেন তাহলে হয়ত ভাবছেন, নিজের   গাড়ি নিয়ে সে একটু ঘুরা ফেরা একটু ছবি তুলতে চাইলে গাড়ি কোথায় রাখবেন ?   চিন্তা করার কিছুই নেই আপনার  গাড়ি পার্কিং এর ব্যবস্থা আছে এখানে। নির্দিষ্ট পার্কিং জোনে আপনার  গাড়িটি  রেখে নিশ্চিন্তে ঘুরে বেড়াতে পারবেন । যেখানে  প্রতি ২ ঘন্টায় মোটর সাইকেলের জন্য পার্কিং চার্জ ২০ টাকা, সিএনজি বা বেবি ট্যাক্সির জন্য ২০ টাকা, প্রাইভেট কারের জন্য ৩০ টাকা, জিপ ও মাইক্রোবাসের জন্য ৩০ টাকা, মিনি কোস্টারের জন্য ৫০ টাকা এবং  বাস ও ট্রাকের জন্য ১০০ টাকা। আপনি যদি সামরিক ব্যক্তি হয়ে থাকেন হাতিরঝিলের সড়কের পাশে সামরিক পার্কিং জোন আছে যেখানে আপনাকে  কোনো পার্কিং  চার্জ দিতে হবে না।

@@@হাতিরঝিলের অভ্যন্তরে যাতায়াতের আরেকটি  ব্যবস্থা হল ওয়াটার ট্যাক্সি। এফডিসির মোড়ে যেই জায়গা থেকে বাস ছাড়ে ঠিক তার বিপরীত দিকেই রয়েছে  ওয়াটার ট্যাক্সি  ল্যান্ডিং স্টেশন ।  এই স্টপেজ  থেকে দুইটি গন্তব্যের উদ্দেশ্যে  ওয়াটার ট্যাক্সি  ছাড়ে । একটি গুদারাঘাটের উদ্দেশ্যে আর অন্যটি রামপুরার উদ্দেশ্যে ছাড়ে। গুদারাঘাটের জন্য আপনাকে  ৩০ টাকা আর রামপুরার জন্য আপনাকে ২৫ টাকা ভাড়া গুনতে হবে । তবে আপনার  ১০ বছরের কম বয়সী বাচ্চার জন্যে জন্য কোনো ভাড়া লাগে না।  যেহেতু এটি জায়গায় জায়গায় নামিয়ে দেয় না তাই ওয়াটার ট্যাক্সি যাতায়াতের তুলনায় ঘুরে বেড়ানোর জন্য উত্তম।  ওয়াটার ট্যাক্সির  ব্যবস্থাপনা  অবাক করার মত । ওয়াটার ট্যাক্সিতে যাত্রীর জন্য আছে লাইফ জ্যাকেট। আর প্রত্যকেটা  ওয়াটার ট্যাক্সিতেই উড়ে বাংলাদেশের পতাকা। ঝিলের দৃশ্য দেখতে  অতুলনীয় একটি সফর দেওয়া যায় পানি পথে। রাজধানী ঢাকার অভ্যন্তরে এটি ছাড়া এমন জলজ স্থাপনা না থাকায় ২০১৭ সালের বিজয় দিবস উপলক্ষে হাতিরঝিলে নৌকা বাইচ এর আয়োজন হয়েছিল ।
@@@হাতিরঝিলের নিরাপত্তা
দিনের বেলা হাতিরঝিল মোটামোটি  নিরাপদ। কিন্তু রাত বাড়ার সাথে সাথে  হাতিরঝিলের নানা যায়গায় নিরাপত্তার অভাব বাড়তে থাকে । সড়কের দুইপাশে, ব্রিজের উপরে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা থাকলেও নির্জন জায়গাগুলো ছিনতাইকারীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। চলাচল কারী  মানুষ প্রায়ই  বিরম্বন
#####তথ্যসুত্র,,,,,,অনলাইন

Thursday, November 29, 2018

 রট,সিমেন্ট ছাড়া ৪০০ বছর পরানো             বড় কাটারা ঘুরে আসুন

#ভবনটি এক নজরে দেখতে ছবিতে ক্লিক করুন।,

কাটরা বা কাটারা,,,,,
কাটরা বা কাটারা এর অর্থ হল  অবকাশযাপন কেন্দ্র। বাংলাদেশের ঢাকায় মুঘল শাসনামলে দুটি অন্যন্য কাটরা তথা অবকাশ কেন্র নির্মাণ করে। মুলত তারা থাকার জন্য নির্মান করেছিল কিন্তু তা পছন্দ না হওয়ায় চলে গিয়ে আহসান মন্জিল নির্মান করে ও তাতে বসবাস করে। আর এটা কে অবকাশ কেন্র বা মুসাফিরদের বিশ্রামাগার বানান। এরমধ্যে একটি হলো বড় কাটারা ও অপরটি হলো ছোট কাটারা। 

 বড় কাটরা:
সম্রাট শাহজাহানের পুত্র শাহ সুজার নির্দেশে ১৬৪১ খ্রিস্টাব্দে (হিজরী ১০৫৫) বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে এই ইমারতটি নির্মাণ করা হয়। এর নির্মাণ করেন আবুল কাসেম যিনি মীর-ই-ইমারত নামে পরিচিত ছিলেন। প্রথমে এতে শাহ সুজার বসবাস করার কথা থাকলেও পরে এটি মুসাফিরখানা হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

বর্তমান অবস্থা ভবনটির,,,, ,,,
অতীতের অবকাঠামোর সাথে সংযুক্ত করে বর্তমানে আরও নতুন ভবন সংযোজন করে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ব্যবহার করছে। মাদ্রাসার তত্ত্বাবধানে শুধুমাত্র বড় কাটারার মূল গেইটসহ কিছু ভবন রয়েছে। অন্যগুলো বেদখল হয়ে গেছে। স্থাপনা ভবনটি সময়ের পরিবর্তনে সংস্কারের অভাবে অতীত সৌন্দর্য হারাচ্ছে। তবে রট,ইট ছাড়া নির্মিত এ ভবন ৪০০ বছর পরও অসাধারন শক্তিশালী আছে।
দর্শণ:
মাদ্রাসার প্রবেশ দরজা দিয়ে বিনা পয়সায় এক সময়ের বড় কাটরাতে প্রবেশ করা যায়। দর্শনার্থীরা স্বাচ্ছন্দে এই ঐতিহাসিক স্থান দেখতে পারে। সাড়া বছরের প্রতিদিনই সকাল ৮.০০ টা থেকে বিকাল ৫.০০ টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকে। বর্তমানে বড় কাটরা হোসাইনিয়া আশরাফুল উলুম মাদ্রাসার তত্ত্বাবধানে রয়েছে। বিশেষ দিনগুলোতে বিদেশী ও দেশী দর্শনার্থীরা এই স্থাপনা ঘুরে দেখেন। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে ঘুরে দেখতে পারে বড় কাটরা।

বড় কাটারা অবস্হান,,,
ইহা ঢাকার চকবাজার (লালবাগ)থানায় অবস্হিত, বুড়িগঙ্গা,সোয়ারি ঘাটের পাশে, ঢাকার যেকোন স্হান হতে আসতে পারবেন

Friday, August 31, 2018

মধুটিলা,গজনী ঘুড়ে আসলাম

                    ঘুড়ে আসলাম শেরপুরের                              মধুটিলা  ইকোপার্ক ও গজনী অবকাশ।         

                    
@@@@  ভূমিকা>>>>>>>>>>>>
###ভ্রমন (সফর)করা সুন্নাত তো বটেই সাথে   আল্লাহ তা আলার অগনীত নিয়ামত দেখে শুকরিয়া আদায় করার ফজিলত তো আছে,,,,,,ই সাথে অন্তরের প্রফুল্লতা। তেমনি একটি ভ্রমন কাহিনী  বর্ননা করবো ইনশা আল্লাহ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,                                                                                                      @@@@ আমাদের গন্তব্য স্হান ও সফরসাথী>>>>>>>>>>>>
*এবারের ভ্রমন টা হয় বাংলাদেশেরর উত্তরের সিমান্তবর্তী জেলা শেরপুরের(মধুটিলা ইকোপার্ক ও গজনী অবকাশে,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
*আমরা পাচ জন (শরীফ,আলামিন,DJ প্রিন্স মোহাম্মাদ গোলজার,মুস্তাকিম)হঠাৎ করে এবারের সফরের নিয়ত টা করে ফেলি কেননা বেশি সময় নিলে কেন যেন আর সফর গুলো হয়ে উঠে না যা বহুদিনের অবিঙ্গতা,,,,,তার পরেও অপেক্ষার শেষদিনে এসে একজন ছিটকে যায়। যাহোক আমরা চার জন একটি ছোট্ট জামাত (কেননা হাদীস শরীফ মত এটাকেও জামাত বলা হয়) সফরের পুর্নাঙ্গ প্রস্তুতি নিয়ে ফেললাম।
আর আমাকেই যেহেতু সফরের আমির বানানো হলো যা সফরের মাঝে একটি অন্য তম সুন্নাত তাই আমি যাহা কিছু প্রয়োজন কিনে নিলাম।                                                                                                  @@@সফর শুরু >>>>>>>>>>>>>>>
*এবার আমাদের যাত্রা শুরু,আমরা যেহেতু বাংলাদেশের প্রান কেন্দ্র ঢাকায় থাকি আবার তা পুরান ঢাকার চকবাজার এলাকায় তাই সেখান হতে মহাখালী বাসস্টেন যাওয়া অনেক কষ্ট কর বিষয় কারন যারা সেখানে থাকেন তারা জানেন কি রকম জ্যোম সেখানে,তার পর আবার দিনটি ছিল বৃহ:প্রতিবার, ভাবতেই পারছেন কি রুপ হতে পারে।..........................
**যাহোক আমরা উর্দ্দরোড জামে মসজিদে আসর নামজ পরে মন মত যানবাহন না পেয়ে এগার নাম্বার গাড়ি (দুই পায়ে) দিয়েই য়েতে শুরু করলাম,যাহোক অনেক কষ্ট করে ও ভুল করে গুলিস্হান এসে দাড়ালাম,আর ভুল বললাম কেন? তা একটু পরেই বুজতে পারবো,                                                 @@@ হয়রানীর শিকার>>>>>>>>>>>>>>>>>
*গুলিস্তান এসে মহাখালির বাসে উঠে বসলাম তাও আবার পিছনের ছিটে এই প্রচন্ড গরমে আর বাস টি জ্যাম ঠেলে শাহবাগ যেতে এশার আযান অথচ গুলিস্তান এ আমরা মাগরিবের পূর্বে,,,,,,,,, আর তখন আমাদের বুঝে আসে কত বড় ভুল করে ফেললাম কারন চকবাজার হতে সরাসরি শাহবাগে যেতে রিকসায় ১৫ মিনিটের বেশি লাগে না।যাহোক রাত ৯ টায় মোরা মহাখালি *ফ্লাইওবারের নিচে এসে পৌছি কিন্তু অনেক রাত হওয়াতে কোন বাস না পেয়ে বাস স্টেনের দিকে রওনা দেই সেখানে এডে দেখি একটি বাস আছে তাও পিছনের ছিট ছারা সব বুক,আবার তা ছাড়বে রাত ১১.৩০ শে,,,,,,,
*আর আমাদের যাত্রাস্হলে যাতায়াতের কয়েক টি মাধ্যম আছে তার মাঝে সবচেয়ে ভালো হলো 'মহাখালি হতে শেরপুর নালিতাবাড়ি এর বাসে উঠা'  কারন মধুটিলা এ থানা তেই পরেছে তাই একটু অগ্রসর হয়ে গেলেন তবে শেরপুর শহরেও যেতে পারেন সেখান হতে নালিতা বাড়িতে ৪০ টাকা সিএনজি ভাড়া পরবে, আবার নিকলা থানাতেও নামতে পারেন সেখান হতে ২০ টাকা ভাড়া জনপ্রতি আবার প্রথমে গজনি অবকাশে যেতে চাইলে ঝিনাইগাতি থানাতে নামাই ভালো,তবে রাত্রি যাপনের কোন ব্যবস্থা না থাকলে শেরপুর শহরেই নামা উত্তম,,
*ভাড়া জনপ্রতি গেটলক বাসে২৫০/৩০০.আর এসিবাসে ৫০০/৫৫০ তবে নরমাল বাসে ১০০/১৫০ টাকাতেও যেতা পারবেন।যা সকাল ৬ টা হতে রাত ১০.৩০ মিনিট পর্যন্ত একের পর এক ছারতে থাকে।                                                                                                                                                   @@@ রাতের খাবার ও গাড়ী রওনা>>>>>>>>>>
*আমরা গাড়িতে উঠে সাথে নেওয়া রাতের খাবার মোরগ পোলাও ভারি মজা করে খেতে থাকি যা ভাষায় ব্যাক্ত করা সম্ভব না।ছবি দেখেই তা বুজে নিতে হবে,,,,,                                                                                 
@@@ মাঝপথে বিরতী>>>>>>>>>>>>
*অবশেষে রাত যখন ১১.৩০ বাজে তখন দেখি বাস চলতে শুরু করছে তবে আবার সেই চিরচেনা জ্যামের থাবা বাসের উপর যার প্রভাবে গাজিপুর পার হতেই রাত ১.৩০......যাহোক হোটেলে এসে বিরতি দিলে আবার যেন প্রান টা ফিরে পেলাম।                                                                                                                                                                                                                                                                                                                             
                                                                         হালকা চা নাস্তা,ও ঠান্ডা পানীয় খেয়ে বাসে উঠতেও পারলাম না দেখি বাস চলতে,,,,,,, ১৫ মিনিট পর আবার বাস চলতে শুরু করলো তবে এবার আর পিছে ফিরে তাকাতে হলো না বরং ঝড়ের বেগে রাত ৪.০০ বাজে নালিতাবাড়ি, শেরপুর।আমাদের কে বাস নামিয়ে দিয়ে আবার কোথাও যেন হারিয়ে গেল।তবে বাসের মাঝে যে কি আনন্দ বয়ে গিয়েছিলো যা কখনো ভুলার না,,,,,,,,,,,,                                                                                               @@@ গন্তব্যের নিকটবর্তী >>>>>>>>>>>>>>>>>>
*যাহোক রাত ৪ বাজে আমরা শেরপুর নালিতাবাড়ি নেমে পাশের মসজিদে আজান হলো রাত ৪.১৫ মিনিটে তাই ফজরের নামাজ পরে সেখানেই একটু ঘুম দেই সকাল ৮টা পর্যন্ত কেননা বহুবার পরিক্ষিত সফরের প্রথম রাতে কেন যেন ঘুম আসতে চায় না।তাই সকালে শরীর টা একটু ক্লান্ত হয়ে যায়।তবে একটা বিশ্রাম নিলে সব যেনো কোথায় হাওয়া হয়ে যায়।
*সকাল ৮ টা বাজে ঘুম হতে উঠে পাশের হটেলে নাস্তা করে নান্নু বাজারের অটো তে উঠে বসি সাথে নিয়ে নেই এক গাট্টি গেনডারি কেননা সেখানে তা খুব সল্প মুল্যে পাওয়া যাচ্ছিলো,,,,আমরা নান্মুবাজার নেমে মধু টিলার অটো চেপে বসি যা অল্প কিছু সময়ের মাঝে আমাদের কে নানিয়ে দেয় মধু টিলা ইকোপার্কের সামনে,,,,                                                                                                              @@@মধুটিলা ইকোপার্ক এ প্রবেশ>>>>>>>>>>>>>>>>>>>                                                                                                     সাথে সাথে ১০ টাকায় টিকেট কেটে ভিতরে প্রবেশ করি,কিন্তু তা খুব সকাল হওয়াতে আমরা ছাড়া আট কোন ভ্রমন পিপাসু ছিলো না তবে এলাকাট ছোট ছোট শিশুরা ছিল যাদের কেও ফুটবল খেলছে আর কেওবা গাছ হতে আমলোকি,পানিফল সহ অন্যান্য ফল পারছে কেননা এখানে প্রচুর গাছগাছালি যাহোক আমরাও তাদের সাথে খেললাম,তাদের দেয়া ফল খেলাম। তারাও খুব খুশি হল কারন আমরা যে ঢাকা হতে,,,,,অর্থাৎ কিছু সময়ের জন্য ঢাকাইয়া পোলাপান,,
তারপর একে একে পুরা এলাকা ঘুরে দেখলাম যা আমাদের এতটা আনন্দ দিলো যা ইতি পূর্বে আমার ভ্রমন করা সকল স্হান গুলোকে ভুলিয়ে দিলো,কেননা এখানের ছোট ছোট এক পাহাড় হতে অন্য পাহাড়ে দৌড়াদৌরি,সেলফি তুলা,গাছ রোপন করা,ওয়াচ টাওয়ারে উঠে সুন্দর্য দর্শন, বাঘ, হাতির উপর উঠা  যদিও তা হাতে গড়া যা আসলেই মধুটিলা,ই। সাথে ভারতের বডার এলাকা ও চাকমা অধিবাসি সহ আরো অনেক কিছু।                                                                                                                                                                               



    @@@ গজনীর উদ্দেশ্যে রওনা  >>>>>>>>>                                                                     
*তারপর সেখান হতে আমরা চলে গেলাম গজনী অবকাশে যা আরো সত্যিকার অর্থে ভ্রমন পিপাসা দুর করে তো বটেই,,,,,।
*আর মধুটিলা হতে গজনী অবকাশে যাওয়ার সৃতি সত্যি ভুলবার নয়,কেননা সুন্দর পাহাড়ী রাস্তা সাথে dj প্রিন্স তো আসেই,এক সময় আমরা গজনী পৌছি। এসে দেখি ও মা এদেখি বনের মাঝে ডুইকা যাচ্ছি তবে ভয়ের কিছু নেই নিরাপত্তা আছে তবে ভয়ের মাঝে ও চাকমাদের দর্শন,তাদের জীবন সবাই কে মুগ্ধ করে দেয়।এভাবেই এক সময় দেখি ডাইবার আমাদের নামিয়ে দিচ্ছে আরে বাপু নামাচ্ছ কেন ভাড়া কি আরো লাগবে নাকি ডাকাতি করবা সে হেসে বলে উঠে এটাই গজনী,(আসলে ডাইবার টা অনেক মজার মানুষ ছিলো এজন্য আমরা বুজেও তার সাথে মজা করি সে অারো খুশি হয়।                                                                                                                                                        @@@ গজনী অবকাশে প্রবেশ >>>>>>>>>>>>
*যাক গজনী দর্শনের সাধ বুঝি এবার মিটবে তাই দ্রুত টিকেট মুল্য দিয়ে ঢুকে পরি আর দেখতে থাকি তবে তা এতটা বড় যে কিভাবে শুরু করাম তা বুজবার পারছিলাম না।যাক তাও পুরা টা ঘুরলাম দেখলাম,তবে বেশি মজা পেলাম পাহাড় ঘেরা নালার মাঝে বোড চালানো দ্বারা,,,,,আহা কিযে শান্তি তা ছবি দেখেই বুঝা যায়,                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                       
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                               @@@ ঢাকার উদ্দেশ   রওনা   >>>>>>>>>>>>>>>                                                                       
যাহোক সেখান হতে ঝিনাইগাতি শহর হয়ে শেরপুর সদরে এসে নামি,,,,,
*এবং ঢাকার বাস চেপে বসি কিন্তু আবার সেই চিরচেনে জ্যাম আমাদের পেয়ে বসে যার ফলে রাত ৩ টায় ঢাকা পৌছি।                                                                                                                                     @@@ সফরের সমাপ্তি >>>>>>>>>> 
*এভাবেই আমাদের সফর শেষ হয় তবে তা আরো বেশি ভ্রমন পুপাসা বাড়িয়ে দেয় মোদের,,,,তবে আসলেই আবার বুজতে পারলাম ভ্রমন করলে চিনা যায় আল্লাহ তা আলার নিয়ামত কত সুন্দর ও অগনীত চাই তা মানুষের মাঝে হোক অথবা প্রকৃতিক সুন্দর্যের মাঝে হোক,,,,,,,,,
*আলহামদুলিল্লাহ এভাবেই এবারের সফর শেষ হয় আর চলতে থাকে আগামির সফরের,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,                                                                                                                          @@@ পরিশেষ >>>>>>
আপনিও যদি যেতে চান তাহলে আমার এই
**********সাইটে (দর্শনীয় স্হান গুলো ঘুরে আসুন) তাতে ক্লিক করুন আর সকল তথ্য নিয়ে আরামে ভ্রমন (সফর) করুন,,,,,,,
                                                   , শরীফ মুহাম্মাদ,
x
x

Wednesday, August 29, 2018

যারা পাহাড় দেখতে,পাহারে উঠতে পছন্দ করেন তাদের জন্য মধুটিলা।

         মধুটিলা ইকোপার্ক  ,শেরপুর।    

 

 *****  কি দেখবেন,কিভাবে যাবেন,কোথায় থাকবেন।>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

ভ্রমন পিপাসুকদের জন্য আমি মনে করি ইহা বেস্ট স্পট কেননা যাদের পাহাড় দেখা,পাহারে উঠার পিপাসা আছে তাদের জন্য রয়েছে পাহার,যাতে মন ভরে দৌড়াতে পারবেন,,আরো আছে সমগ্র এলাকা একসাথে উপভোগ করার জন্য ওয়াচ টাওয়ার, শিশুদের বিনোদনের জন্য পার্ক,চিড়িয়াখানা, প্রকৃতিক সুন্দর্য দেখার জন্য প্রচুর গাছ-গাছালী,আছে লেক যাতে বর্শি নিয়ে গেলে মাছ ও ধরতে পারবেন তবে গুনতে হবে টাকা প্রতি ঘন্টার জন্য, তা ছাড়া রাস্তার পাশে হাতে গড়া বাঘ,হাতি, সিংহ সহ বহু প্রানী,,ঝর্না, ও ভারতের সিমান্ত ঘুরা সহ অশেষ দর্শনীয় জিনিস, সহ বহু প্রানী,,বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর ভাস্কর্য বা প্রতিকৃতি হিসেবে রয়েছে ২টি হাত, ২টি বাঘ, মৎস্যকন্যা, ঈগল, হনুমান, সাপ, কুমির, হরিণ, সিংহ,১টি স্টার ব্রিজ, পাবলিক টয়লেট, বসার স্থান। লেকের পানিতে চরে বেড়ানো আর ব্যবহারের জন্য রয়েছে ৩টি প্যাডেল বোট

যাতায়াত,,,,,,,,,,,,,,,,,,    

  যাতায়াতের জন্য বাস সব চেয়ে ভালো হবে তবে ট্রেনে করেও যেতে পারেন,                     
সেখানে যাতায়াতের কয়েক টি মাধ্যম আছে তার মাঝে সবচেয়ে ভালো হলো 'মহাখালি হতে শেরপুর নালিতাবাড়ি এর বাসে উঠা'  কারন মধুটিলা পার্ক টি এ থানা তেই পরেছে তাই একটু অগ্রসর হয়ে গেলেন তবে শেরপুর শহরেও যেতে পারেন সেখান হতে নালিতাবাড়ি  ৪০ টাকা সিএনজি ভাড়া পরবে, আবার নিকলা থানাতেও নামতে পারেন সেখান হতে ২০ টাকা ভাড়া জনপ্রতি আবার প্রথমে ঝিনাইগাতি থানাতে নামাও ভালো হবে সেখান হতে নালিতাবাড়ি সিএনজি,অটো করে,তবে রাত্রি যাপনের কোন ব্যবস্থা না থাকলে শেরপুর শহরেই নামা উত্তম,,আবার ময়মনসিংহ এর বাসেও যেতে পারেন,ময়মনসিংহ সদর হতে শেরপুরের বাস আছে,আবার জামালপুর এ যেতে পারেন কেননা  জামালপুর হতে অনেক বাস শেরপুরের উদ্দেশ্য ছুটে যায়,আর ঢাকার কমলাপুর স্টেশন হতে ট্রেন এ করে ময়মনসিংহ বা জামালপুর এ যেতে পারেন,,,,,,,,,,,,,,

  গাড়ী ভাড়া জনপ্রতি>>>>>>>>>>>>>

গেটলক বাসে২৫০/৩০০.আর এসিবাসে ৫০০/৫৫০ তবে নরমাল বাসে ১০০/১৫০ টাকাতেও যেতা পারবেন।যা সকাল ৬ টা হতে রাত ১০.৩০ মিনিট পর্যন্ত একের পর এক ছারতে থাকে। কয়েকটি,বাস কাউন্ডারের নাম্বার নিম্নে দেয়া হল,,,,,,,, ১)এসি বাস শেরপুর ছাড়ার        সময়:রাত ১২.৩০মিনিট।     মোবাইল০১৭৭৮৫৫৮৮৩৫ঢাকা গুলিস্তান সে্টডিয়াম মার্কেট হতে গাড়ি ছাড়ার সময়:দুপুর ২.০০মিনিট
মোবাইল  :০১৭৭৮৫৫৮৮৯০
২)সাদিকা বাস
ঢাকা-শেরপুর-ঢাকা
হিনো কোচ সার্ভিস
অগ্রিম টিকিটের জন্য:০১৭১২১১৯১৮১ .  ৩)সোনার বাংলা বাস
অগ্রিম টিকিটের জন্য:০১৭৩৬৯৯০১৬১
ঢাকার মহাখালী এবং শেরপুরের মীরগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড থেকে ৪০ মিনিট পরপরই ছাড়ে।
৪)হাজী বাস
কোচ সাভিস
ঢাকা-নালিতাবাড়ী-ঢাকা
নালিতাবাড়ী বাস টামিনাল থেকে ছাড়ে দুপুর ১২.২৫ মি.
মহাখালী থেকে গাড়ীটি ছাড়ে ভোর ৬টায়
অগ্রিম টিকেটের জন্য যোগাযোগ:০১৭২০২১৬৮০৭
৫)সুর্বণা এক্সপ্রেস বাস
ঝিনাইগাতী-শেরপুর-ঢাকা
শেরপুর থেকে রাত ১২.০০টায় শেরপুর কাউন্টার থানামোড় মোবাইল:০১৭৮৬-১৭৮০৫৫))
(ঝিনাইগাতী কাউন্টার রাত ১১টায় মোবাইল:০১৭৫৭-৩৬৭৪৫৪)
৬)হ্যাভেন ক্লাসিক বাস
নালিতাবাড়ী-ঢাকা-নালিতাবাড়ী (ভায়া নন্নী)
গাড়ী ছাড়ার সময়:
নালিতাবাড়ী হইতে সকাল ১১.৩০ মি.
ঢাকা হইতে সন্ধ্যা ৬ টায়
মোবাইল  ০১৭০০৫৪৬০৫৮
৭)ভূইয়া পরিবহন বাস
ঢাকা-নালিতাবাড়ী-ঢাকা
গাড়ী ছাড়ার সময়:
নালিতাবাড়ী হইতে দুপুর ১২.৫০ মি.
ঢাকা হইতে সন্ধ্যা ৬.২৫ মি.
মোবাইল : ০১৭৯০২৬৫৩০
** অথবা অনলাইনে বাসের টিকেট কাটতে পারেন নিচের লিংক হতে,,যেকোনো জায়গা থেকে যেকোনো সময় বাস টিকেট কিনুন /বাস টিকেট অনলাইনে কিনুন / প্লাস ক্লিক করুন ....             
https://goo.gl/CUKesx
 
 # আর অনলাইনে ট্রেন এর টিকেট কাটতে এই ঠিকানাতে ক্লিক করুন,,,,,,
https://www.esheba.cnsbd.com

             
কোথায় থাকবেন,,,,,,,,,,,,,,,,,               
মধুটিলা, ও নালিতাবাড়িতে রাত্রি যাপনের জন্য কোন হোটেল নেই এজন্য শেরপুর শহরেই থাকতে হবে, শহরের কয়েকটি হোটেলের নাম্বার হল,,,,,,১),,হোটেল সম্পদ প্লাজা (আবাসিক) –ফোনঃ ০১৭১৮২৯০৪৪, ০৯৩১-৬১৭৭৬                          ২)আরাফাত গেস্ট হাউজ(আবাসিক) –ফোনঃ ০৯৩১-৬১২১৭
৩)বর্ণালী গেস্ট হাউজ(আবাসিক) – ফোনঃ ০৯৩১-৬১৫৭৫
৪)কাকলী গেস্ট হাউজ(আবাসিক) – ফোনঃ ০৯৩১-৬১২০৬শাহী খানা খাজানা, যোগাযোগ- ০৯৩১-৬১৬৪৭, ৫)হোটেল শাহজাহান, যোগাযোগ-০১৯১১৪১১৭৭১
তবে রাত্রে গিয়ে রাতেই ফিরে আসতে পারেন,,,,,,


কোথায় খাবেন : 
    >>>>>>>>>>>>      

  সীমান্ত এলাকায় ভাল মানের কোন খাবার হোটেল নেই। তবে শেরপুর জেলা শহরে ভাল মানের খাবার হোটেল রয়েছে হাতে গোনা ২ থেকে ৩ টি।    তবে পার্কে ও পার্কের বাহিরে ছোট ছোট অনেক দোকান রয়েছে।
@@@@ভালো লাগলে আমাদের সাথে থাকুন,,,শরীফ মুহাম্মাদ

Monday, August 27, 2018

ঘুড়ে আসুন গজনী অবকাশ,শেরপুর।

**** গজনী অবকাশ,শেরপুর।   ****      '''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''     ## কি দেখবেন,কিভাবে যাবেন,কোথায় থাকবেন >>>>>>>>>>>>

%%%%%ভ্রমন পিপাসুদের পিপাসা নিবারন করার সকল উপকরণ তথা সুন্দর্য বৃদ্ধমান এই স্হলে,  এখানে রয়েছে পাহার,আরো আছে সমগ্র এলাকা একসাথে উপভোগ করার জন্য ওয়াচ টাওয়ার, শিশুদের বিনোদনের জন্য পার্ক,চিড়িয়াখানা, প্রকৃতিক সুন্দর্য দেখার জন্য প্রচুর গাছ-গাছালী,আছে লেক আর লেকে গোসল করা সাথে নৌকা চালানোর স্বাদ তো আছেই তা আবার পাহাড় ঘেরা সচ্ছ পানির মাঝে তা ছাড়া রাস্তার পাশে হাতে গড়া বাঘ,হাতি, সিংহ সহ বহু প্রানী,,ঝর্না, ও ভারতের সিমান্ত ঘুরা সহ অশেষ দর্শনীয় জিনিস,শিশুদের বিনোদনের জন্য পার্ক, প্রকৃতিক সুন্দর্য দেখার জন্য প্রচুর গাছ-গাছালী,আছে লেক ও রিসোর্ট তা ছাড়া রাস্তার পাশে হাতে গড়া বাঘ,হাতি, সিংহ সহ বহু প্রানী,,বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর ভাস্কর্য বা প্রতিকৃতি হিসেবে রয়েছে ২টি হাত, ২টি বাঘ, মৎস্যকন্যা, ঈগল, হনুমান, সাপ, কুমির, হরিণ, সিংহ,১টি স্টার ব্রিজ, পাবলিক টয়লেট, বসার স্থান। লেকের পানিতে চরে বেড়ানো আর ব্যবহারের জন্য রয়েছে ৩টি প্যাডেল বোট সাথে সাথে সচ্ছ পানীতে গোসল করা।                              


 @@@ যাতায়াতের জন্য বাস সব চেয়ে ভালো হবে তবে ট্রেনে করেও যেতে পারেন, >>>>>>               
সেখানে যাতায়াতের কয়েক টি মাধ্যম আছে তার মাঝে সবচেয়ে ভালো হলো 'মহাখালি হতে শেরপুর ঝিনাইগাতি এর বাসে উঠা'  কারন গজনী অবকাশ এ থানা তেই পরেছে তাই একটু অগ্রসর হয়ে গেলেন তবে শেরপুর শহরেও যেতে পারেন সেখান হতে ঝিনাইগাতি ৪০ টাকা সিএনজি ভাড়া পরবে, আবার নিকলা থানাতেও নামতে পারেন সেখান হতে ২০ টাকা ভাড়া জনপ্রতি আবার প্রথমে নালিতাবাড়ি  থানাতে নামাও ভালো হবে সেখান হতে ঝিনাইগাতি সিএনজি,অটো করে,তবে রাত্রি যাপনের কোন ব্যবস্থা না থাকলে শেরপুর শহরেই নামা উত্তম,,আবার ময়মনসিংহ এর বাসেও যেতে পারেন,ময়মনসিংহ সদর হতে শেরপুরের বাস আছে,আবার জামালপুর এ যেতে পারেন কেননা  জামালপুর হতে অনেক বাস শেরপুরের উদ্দেশ্য ছুটে যায়,আর ঢাকার কমলাপুর স্টেশন হতে ট্রেন এ করে ময়মনসিংহ বা জামালপুর এ যেতে পারেন,,,,,,,,,,,,,,

+++ভাড়া  লাগবেে>>>>>>>>>>>>>>>>


,,জনপ্রতি গেটলক বাসে২৫০/৩০০.আর এসিবাসে ৫০০/৫৫০ তবে নরমাল বাসে ১০০/১৫০ টাকাতেও যেতা পারবেন।যা সকাল ৬ টা হতে রাত ১০.৩০ মিনিট পর্যন্ত একের পর এক ছারতে থাকে। কয়েকটি,বাস কাউন্ডারের নাম্বার নিম্নে দেয়া হল,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,১)এসি বাস শেরপুর ছাড়ার        সময়:রাত ১২.৩০মিনিট।     মোবাইল০১৭৭৮৫৫৮৮৩৫ঢাকা গুলিস্তান সে্টডিয়াম মার্কেট হতে গাড়ি ছাড়ার সময়:দুপুর ২.০০মিনিট
মোবাইল  :০১৭৭৮৫৫৮৮৯০
২)সাদিকা বাস
ঢাকা-শেরপুর-ঢাকা
হিনো কোচ সার্ভিস
অগ্রিম টিকিটের জন্য:০১৭১২১১৯১৮১ .  ৩)সোনার বাংলা বাস
অগ্রিম টিকিটের জন্য:০১৭৩৬৯৯০১৬১
ঢাকার মহাখালী এবং শেরপুরের মীরগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড থেকে ৪০ মিনিট পরপরই ছাড়ে।
৪)হাজী বাস
কোচ সাভিস
ঢাকা-নালিতাবাড়ী-ঢাকা
নালিতাবাড়ী বাস টামিনাল থেকে ছাড়ে দুপুর ১২.২৫ মি.
মহাখালী থেকে গাড়ীটি ছাড়ে ভোর ৬টায়
অগ্রিম টিকেটের জন্য যোগাযোগ:০১৭২০২১৬৮০৭
৫)সুর্বণা এক্সপ্রেস বাস
ঝিনাইগাতী-শেরপুর-ঢাকা
শেরপুর থেকে রাত ১২.০০টায় শেরপুর কাউন্টার থানামোড় মোবাইল:০১৭৮৬-১৭৮০৫৫))
(ঝিনাইগাতী কাউন্টার রাত ১১টায় মোবাইল:০১৭৫৭-৩৬৭৪৫৪)
৬)হ্যাভেন ক্লাসিক বাস
নালিতাবাড়ী-ঢাকা-নালিতাবাড়ী (ভায়া নন্নী)
গাড়ী ছাড়ার সময়:
নালিতাবাড়ী হইতে সকাল ১১.৩০ মি.
ঢাকা হইতে সন্ধ্যা ৬ টায়
মোবাইল  ০১৭০০৫৪৬০৫৮
৭)ভূইয়া পরিবহন বাস
ঢাকা-নালিতাবাড়ী-ঢাকা
গাড়ী ছাড়ার সময়:
নালিতাবাড়ী হইতে দুপুর ১২.৫০ মি.
ঢাকা হইতে সন্ধ্যা ৬.২৫ মি.
মোবাইল : ০১৭৯০২৬৫৩০
******* অথবা অনলাইনে বাসের টিকেট কাটতে পারেন নিচের লিংক হতে,,যেকোনো জায়গা থেকে যেকোনো সময় বাস টিকেট কিনুন /বাস টিকেট অনলাইনে কিনুন / প্লাস ক্লিক করুন ............ ,,      

 
https://goo.gl/CUKesx


 অনলাইনে ট্রেন এর টিকেট কাটতে এই ঠিকানাতে ক্লিক করুন,,,,,,

https://www.esheba.cnsbd.com


%%%কোথায় থাকবেন>>>>>>>>>>>             
মধুটিলা, ও নালিতাবাড়িতে রাত্রি যাপনের জন্য কোন হোটেল নেই এজন্য শেরপুর শহরেই থাকতে হবে, শহরের কয়েকটি হোটেলের নাম্বার হল,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,১),,হোটেল সম্পদ প্লাজা (আবাসিক) –ফোনঃ ০১৭১৮২৯০৪৪, ০৯৩১-৬১৭৭৬                          ২)আরাফাত গেস্ট হাউজ(আবাসিক) –ফোনঃ ০৯৩১-৬১২১৭
৩)বর্ণালী গেস্ট হাউজ(আবাসিক) – ফোনঃ ০৯৩১-৬১৫৭৫
৪)কাকলী গেস্ট হাউজ(আবাসিক) – ফোনঃ ০৯৩১-৬১২০৬শাহী খানা খাজানা, যোগাযোগ- ০৯৩১-৬১৬৪৭, ৫)হোটেল শাহজাহান, যোগাযোগ-০১৯১১৪১১৭৭১
তবে রাত্রে গিয়ে রাতেই ফিরে আসতে পারেন,,,,,,

$$$$কোথায় খাবেন :    >>>>>>>>>>               সীমান্ত এলাকায় ভাল মানের কোন খাবার হোটেল নেই। তবে শেরপুর জেলা শহরে ভাল মানের খাবার হোটেল রয়েছে হাতে গোনা ২ থেকে ৩ টি।    তবে পার্কে ও পার্কের বাহিরে ছোট ছোট অনেক দোকান রয়েছে। 

®®ভালো লাগলে আমাদের সাথে থাকুন,পড়ুন,ঘুড়ুন,,,,,,,

                             লেখক,,,,,,শরীফ মুহাম্মাদ 

Friday, August 17, 2018

ভ্রমন করার উদ্দেশ্য হওয়া চাই

      ভ্রমন করার উদ্দেশ্য হওয়া চাই কি,?


পৃথিবীতে আল্লাহ তাআলার নিশামত গুনে শেষ করা যাবে না।যেগুলো সঠিক নিয়তে দর্শন করলেও সোয়াব।
কেননা
আল্লাহ বলেন- ﻗُﻞْ ﺳِﻴﺮُﻭﺍ ﻓِﻲ ﺍﻟْﺄَﺭْﺽِ ﻓَﺎﻧﻈُﺮُﻭﺍ ﻛَﻴْﻒَ ﺑَﺪَﺃَ ﺍﻟْﺨَﻠْﻖَ ﺛُﻢَّ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻳُﻨﺸِﺊُ ﺍﻟﻨَّﺸْﺄَﺓَ ﺍﻟْﺂﺧِﺮَﺓَ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻋَﻠَﻰ ﻛُﻞِّ ﺷَﻲْﺀٍ ﻗَﺪِﻳﺮٌ -অর্থাৎ ‘(হে রাসূল) আপনি বলুন, তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ কর এবং দেখ, কিভাবে তিনি সৃষ্টিকর্ম শুরু করেছেন। অতঃপর আল্লাহ পুর্নবার সৃষ্টি করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ সবকিছু করতে সক্ষম ’ (সুরা আনকাবুত : আয়াত ২০)
আল্লাহ অন্যত্র বলেন-
ﻗَﺪْ ﺧَﻠَﺖْ ﻣِﻦ ﻗَﺒْﻠِﻜُﻢْ ﺳُﻨَﻦٌ ﻓَﺴِﻴﺮُﻭﺍْ ﻓِﻲ ﺍﻷَﺭْﺽِ ﻓَﺎﻧْﻈُﺮُﻭﺍْ ﻛَﻴْﻒَ ﻛَﺎﻥَ ﻋَﺎﻗِﺒَﺔُ ﺍﻟْﻤُﻜَﺬَّﺑِﻴﻦَ - ﻫَـﺬَﺍ ﺑَﻴَﺎﻥٌ ﻟِّﻠﻨَّﺎﺱِ ﻭَﻫُﺪًﻯ ﻭَﻣَﻮْﻋِﻈَﺔٌ ﻟِّﻠْﻤُﺘَّﻘِﻴﻦَ অর্থাৎ ‘তোমাদের আগে অতীত হয়েছে অনেক ধরনের জীবনাচরণ। তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ কর এবং দেখ যারা মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে তাদের পরিণতি কি হয়েছে। এই হলো মানুষের জন্য বর্ণনা। আর যারা ভয় করে তাদের জন্য উপদেশবাণী।’ (সূরা আল-ইমরান : আয়াত ১৩৭-১৩৮)
অতএব ভ্রমনের পূর্বে নিয়ত ঠিক করি,সোয়াব ও পাবো,দর্শন,আনন্দ ও হবে।
                                             লেখক,,,,,,,,,
                                           শরীফ মুহাম্মাদ
                                                       এডমিন,