ঘুড়ে আসলাম শেরপুরের মধুটিলা ইকোপার্ক ও গজনী অবকাশ।
###ভ্রমন (সফর)করা সুন্নাত তো বটেই সাথে আল্লাহ তা আলার অগনীত নিয়ামত দেখে শুকরিয়া আদায় করার ফজিলত তো আছে,,,,,,ই সাথে অন্তরের প্রফুল্লতা। তেমনি একটি ভ্রমন কাহিনী বর্ননা করবো ইনশা আল্লাহ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, @@@@ আমাদের গন্তব্য স্হান ও সফরসাথী>>>>>>>>>>>>
*এবারের ভ্রমন টা হয় বাংলাদেশেরর উত্তরের সিমান্তবর্তী জেলা শেরপুরের(মধুটিলা ইকোপার্ক ও গজনী অবকাশে,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
*আমরা পাচ জন (শরীফ,আলামিন,DJ প্রিন্স মোহাম্মাদ গোলজার,মুস্তাকিম)হঠাৎ করে এবারের সফরের নিয়ত টা করে ফেলি কেননা বেশি সময় নিলে কেন যেন আর সফর গুলো হয়ে উঠে না যা বহুদিনের অবিঙ্গতা,,,,,তার পরেও অপেক্ষার শেষদিনে এসে একজন ছিটকে যায়। যাহোক আমরা চার জন একটি ছোট্ট জামাত (কেননা হাদীস শরীফ মত এটাকেও জামাত বলা হয়) সফরের পুর্নাঙ্গ প্রস্তুতি নিয়ে ফেললাম।
আর আমাকেই যেহেতু সফরের আমির বানানো হলো যা সফরের মাঝে একটি অন্য তম সুন্নাত তাই আমি যাহা কিছু প্রয়োজন কিনে নিলাম। @@@সফর শুরু >>>>>>>>>>>>>>>
*এবার আমাদের যাত্রা শুরু,আমরা যেহেতু বাংলাদেশের প্রান কেন্দ্র ঢাকায় থাকি আবার তা পুরান ঢাকার চকবাজার এলাকায় তাই সেখান হতে মহাখালী বাসস্টেন যাওয়া অনেক কষ্ট কর বিষয় কারন যারা সেখানে থাকেন তারা জানেন কি রকম জ্যোম সেখানে,তার পর আবার দিনটি ছিল বৃহ:প্রতিবার, ভাবতেই পারছেন কি রুপ হতে পারে।..........................
**যাহোক আমরা উর্দ্দরোড জামে মসজিদে আসর নামজ পরে মন মত যানবাহন না পেয়ে এগার নাম্বার গাড়ি (দুই পায়ে) দিয়েই য়েতে শুরু করলাম,যাহোক অনেক কষ্ট করে ও ভুল করে গুলিস্হান এসে দাড়ালাম,আর ভুল বললাম কেন? তা একটু পরেই বুজতে পারবো, @@@ হয়রানীর শিকার>>>>>>>>>>>>>>>>>
*গুলিস্তান এসে মহাখালির বাসে উঠে বসলাম তাও আবার পিছনের ছিটে এই প্রচন্ড গরমে আর বাস টি জ্যাম ঠেলে শাহবাগ যেতে এশার আযান অথচ গুলিস্তান এ আমরা মাগরিবের পূর্বে,,,,,,,,, আর তখন আমাদের বুঝে আসে কত বড় ভুল করে ফেললাম কারন চকবাজার হতে সরাসরি শাহবাগে যেতে রিকসায় ১৫ মিনিটের বেশি লাগে না।যাহোক রাত ৯ টায় মোরা মহাখালি *ফ্লাইওবারের নিচে এসে পৌছি কিন্তু অনেক রাত হওয়াতে কোন বাস না পেয়ে বাস স্টেনের দিকে রওনা দেই সেখানে এডে দেখি একটি বাস আছে তাও পিছনের ছিট ছারা সব বুক,আবার তা ছাড়বে রাত ১১.৩০ শে,,,,,,,
*আর আমাদের যাত্রাস্হলে যাতায়াতের কয়েক টি মাধ্যম আছে তার মাঝে সবচেয়ে ভালো হলো 'মহাখালি হতে শেরপুর নালিতাবাড়ি এর বাসে উঠা' কারন মধুটিলা এ থানা তেই পরেছে তাই একটু অগ্রসর হয়ে গেলেন তবে শেরপুর শহরেও যেতে পারেন সেখান হতে নালিতা বাড়িতে ৪০ টাকা সিএনজি ভাড়া পরবে, আবার নিকলা থানাতেও নামতে পারেন সেখান হতে ২০ টাকা ভাড়া জনপ্রতি আবার প্রথমে গজনি অবকাশে যেতে চাইলে ঝিনাইগাতি থানাতে নামাই ভালো,তবে রাত্রি যাপনের কোন ব্যবস্থা না থাকলে শেরপুর শহরেই নামা উত্তম,,
*ভাড়া জনপ্রতি গেটলক বাসে২৫০/৩০০.আর এসিবাসে ৫০০/৫৫০ তবে নরমাল বাসে ১০০/১৫০ টাকাতেও যেতা পারবেন।যা সকাল ৬ টা হতে রাত ১০.৩০ মিনিট পর্যন্ত একের পর এক ছারতে থাকে। @@@ রাতের খাবার ও গাড়ী রওনা>>>>>>>>>>
*আমরা গাড়িতে উঠে সাথে নেওয়া রাতের খাবার মোরগ পোলাও ভারি মজা করে খেতে থাকি যা ভাষায় ব্যাক্ত করা সম্ভব না।ছবি দেখেই তা বুজে নিতে হবে,,,,, @@@ মাঝপথে বিরতী>>>>>>>>>>>>
*অবশেষে রাত যখন ১১.৩০ বাজে তখন দেখি বাস চলতে শুরু করছে তবে আবার সেই চিরচেনা জ্যামের থাবা বাসের উপর যার প্রভাবে গাজিপুর পার হতেই রাত ১.৩০......যাহোক হোটেলে এসে বিরতি দিলে আবার যেন প্রান টা ফিরে পেলাম। হালকা চা নাস্তা,ও ঠান্ডা পানীয় খেয়ে বাসে উঠতেও পারলাম না দেখি বাস চলতে,,,,,,, ১৫ মিনিট পর আবার বাস চলতে শুরু করলো তবে এবার আর পিছে ফিরে তাকাতে হলো না বরং ঝড়ের বেগে রাত ৪.০০ বাজে নালিতাবাড়ি, শেরপুর।আমাদের কে বাস নামিয়ে দিয়ে আবার কোথাও যেন হারিয়ে গেল।তবে বাসের মাঝে যে কি আনন্দ বয়ে গিয়েছিলো যা কখনো ভুলার না,,,,,,,,,,,, @@@ গন্তব্যের নিকটবর্তী >>>>>>>>>>>>>>>>>>
*যাহোক রাত ৪ বাজে আমরা শেরপুর নালিতাবাড়ি নেমে পাশের মসজিদে আজান হলো রাত ৪.১৫ মিনিটে তাই ফজরের নামাজ পরে সেখানেই একটু ঘুম দেই সকাল ৮টা পর্যন্ত কেননা বহুবার পরিক্ষিত সফরের প্রথম রাতে কেন যেন ঘুম আসতে চায় না।তাই সকালে শরীর টা একটু ক্লান্ত হয়ে যায়।তবে একটা বিশ্রাম নিলে সব যেনো কোথায় হাওয়া হয়ে যায়।
*সকাল ৮ টা বাজে ঘুম হতে উঠে পাশের হটেলে নাস্তা করে নান্নু বাজারের অটো তে উঠে বসি সাথে নিয়ে নেই এক গাট্টি গেনডারি কেননা সেখানে তা খুব সল্প মুল্যে পাওয়া যাচ্ছিলো,,,,আমরা নান্মুবাজার নেমে মধু টিলার অটো চেপে বসি যা অল্প কিছু সময়ের মাঝে আমাদের কে নানিয়ে দেয় মধু টিলা ইকোপার্কের সামনে,,,, @@@মধুটিলা ইকোপার্ক এ প্রবেশ>>>>>>>>>>>>>>>>>>> সাথে সাথে ১০ টাকায় টিকেট কেটে ভিতরে প্রবেশ করি,কিন্তু তা খুব সকাল হওয়াতে আমরা ছাড়া আট কোন ভ্রমন পিপাসু ছিলো না তবে এলাকাট ছোট ছোট শিশুরা ছিল যাদের কেও ফুটবল খেলছে আর কেওবা গাছ হতে আমলোকি,পানিফল সহ অন্যান্য ফল পারছে কেননা এখানে প্রচুর গাছগাছালি যাহোক আমরাও তাদের সাথে খেললাম,তাদের দেয়া ফল খেলাম। তারাও খুব খুশি হল কারন আমরা যে ঢাকা হতে,,,,,অর্থাৎ কিছু সময়ের জন্য ঢাকাইয়া পোলাপান,,
তারপর একে একে পুরা এলাকা ঘুরে দেখলাম যা আমাদের এতটা আনন্দ দিলো যা ইতি পূর্বে আমার ভ্রমন করা সকল স্হান গুলোকে ভুলিয়ে দিলো,কেননা এখানের ছোট ছোট এক পাহাড় হতে অন্য পাহাড়ে দৌড়াদৌরি,সেলফি তুলা,গাছ রোপন করা,ওয়াচ টাওয়ারে উঠে সুন্দর্য দর্শন, বাঘ, হাতির উপর উঠা যদিও তা হাতে গড়া যা আসলেই মধুটিলা,ই। সাথে ভারতের বডার এলাকা ও চাকমা অধিবাসি সহ আরো অনেক কিছু।
@@@ গজনীর উদ্দেশ্যে রওনা >>>>>>>>>
*তারপর সেখান হতে আমরা চলে গেলাম গজনী অবকাশে যা আরো সত্যিকার অর্থে ভ্রমন পিপাসা দুর করে তো বটেই,,,,,।
*আর মধুটিলা হতে গজনী অবকাশে যাওয়ার সৃতি সত্যি ভুলবার নয়,কেননা সুন্দর পাহাড়ী রাস্তা সাথে dj প্রিন্স তো আসেই,এক সময় আমরা গজনী পৌছি। এসে দেখি ও মা এদেখি বনের মাঝে ডুইকা যাচ্ছি তবে ভয়ের কিছু নেই নিরাপত্তা আছে তবে ভয়ের মাঝে ও চাকমাদের দর্শন,তাদের জীবন সবাই কে মুগ্ধ করে দেয়।এভাবেই এক সময় দেখি ডাইবার আমাদের নামিয়ে দিচ্ছে আরে বাপু নামাচ্ছ কেন ভাড়া কি আরো লাগবে নাকি ডাকাতি করবা সে হেসে বলে উঠে এটাই গজনী,(আসলে ডাইবার টা অনেক মজার মানুষ ছিলো এজন্য আমরা বুজেও তার সাথে মজা করি সে অারো খুশি হয়। @@@ গজনী অবকাশে প্রবেশ >>>>>>>>>>>>
*যাক গজনী দর্শনের সাধ বুঝি এবার মিটবে তাই দ্রুত টিকেট মুল্য দিয়ে ঢুকে পরি আর দেখতে থাকি তবে তা এতটা বড় যে কিভাবে শুরু করাম তা বুজবার পারছিলাম না।যাক তাও পুরা টা ঘুরলাম দেখলাম,তবে বেশি মজা পেলাম পাহাড় ঘেরা নালার মাঝে বোড চালানো দ্বারা,,,,,আহা কিযে শান্তি তা ছবি দেখেই বুঝা যায়, @@@ ঢাকার উদ্দেশ রওনা >>>>>>>>>>>>>>>
যাহোক সেখান হতে ঝিনাইগাতি শহর হয়ে শেরপুর সদরে এসে নামি,,,,,
*এবং ঢাকার বাস চেপে বসি কিন্তু আবার সেই চিরচেনে জ্যাম আমাদের পেয়ে বসে যার ফলে রাত ৩ টায় ঢাকা পৌছি। @@@ সফরের সমাপ্তি >>>>>>>>>>
*এভাবেই আমাদের সফর শেষ হয় তবে তা আরো বেশি ভ্রমন পুপাসা বাড়িয়ে দেয় মোদের,,,,তবে আসলেই আবার বুজতে পারলাম ভ্রমন করলে চিনা যায় আল্লাহ তা আলার নিয়ামত কত সুন্দর ও অগনীত চাই তা মানুষের মাঝে হোক অথবা প্রকৃতিক সুন্দর্যের মাঝে হোক,,,,,,,,,
*আলহামদুলিল্লাহ এভাবেই এবারের সফর শেষ হয় আর চলতে থাকে আগামির সফরের,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, @@@ পরিশেষ >>>>>>
আপনিও যদি যেতে চান তাহলে আমার এই
**********সাইটে (দর্শনীয় স্হান গুলো ঘুরে আসুন) তাতে ক্লিক করুন আর সকল তথ্য নিয়ে আরামে ভ্রমন (সফর) করুন,,,,,,,
, শরীফ মুহাম্মাদ,
x
x






